
বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষাটি সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ঐতিহ্যবাহী দারুল উলআলিয়া মাদরাসা এ দেশের মাদরাসা শিক্ষা ইতিহাসের ১ম স্তরের প্রতিষ্ঠান। বীর চট্টলার বিশিষধর্মপ্রাণ, শিক্ষাণুরাগী, সমাজসেবী ও বিত্তশালী খ্যাতনামা ব্যাক্তি মরহুম আলহাজ্জ চান্দমিয়া সওদাকর্তৃক ১৯১৩ ইংরেজি সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে সুদীর্ঘ ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সমগ্র দেশ তথা সাবিশ্বব্যাপী জ্ঞানের আলো বিতরণে এটি অনবদ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিফাযিল (পাস ও অনার্স) এবং কামিল শিক্ষার এ ৫টি স্তর এখানে চলমান রয়েছে। প্রতিষ্ঠার বিবরণঃ ১৯১৩ সালে চট্টগ্রামের কয়েক জন বিশিষ্ট আলেম দ্বীন যেমন হযরত মওলানা খলিলুর রহমান বাগবানী (র), হযরত মওলানা সুফি আহসান উল্লাহ (র), হযরত মওলান মোহাব্বত আলী রামুবী (র), হযরত মওলানা ফয়জুল করিম (র), জনাব মোহাম্মাদ ইসহাক, এম এম, জনাব রহিম উদ্দিন, মাওলানা নজির আহমদ, জনাব আব্দুল লতিফ, জনাব বাচা মিয়া, জনাব নূর হোসেন, জনাব ওয়াজেদ আলী, জনাব সালেহ আহমদ, জনাব এডভোকেট আতাউর রহমান, জনাব আবুল বাশার, জনাব এডভোকেট আকতার কামাল প্রমূখ বুজুর্গ। শিক্ষাদরদী ও জ্ঞানী-গুনী ব্যক্তিবর্গের অনুপ্রেরণায় চট্টগ্রামের চান্দাগাও নিবাসী মুন্সি কাছিম আলীর পুত্র স্বনাম খ্যাত দানবীর হাজী চান্দ মিয়া সওদাগরের আর্থিক সহায়তায় “ চট্টগ্রাম দারুল উলুম মাদরাসা ” প্রতিষ্ঠিত হয়।